ইরানের জাতীয় স্বার্থ ও আঞ্চলিক অবস্থান রক্ষায় দেশটি একই সঙ্গে কূটনীতি ও প্রতিরোধ—দুই কৌশলই অনুসরণ করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। তিনি বলেছেন, অধিকার আদায়ের প্রশ্নে ইরান শুধু আলোচনার টেবিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে অন্য পথেও এগোবে।
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
এক বক্তব্যে গালিবাফ বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাত ও আঞ্চলিক ঘটনাপ্রবাহ ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়ে এসেছে। তার দাবি, যুদ্ধবিরতির বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘনের মধ্য দিয়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে।
ইরানি এই নেতা অভিযোগ করেন, লেবাননসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা চালিয়ে উত্তেজনা বাড়ানো হয়েছে। এর জবাবে ইরান নিজেদের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
গালিবাফের মতে, চলমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা জরুরি। তবে কেবল আলোচনার ওপর নির্ভর করলে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত হবে না। সে কারণে কূটনীতি ও প্রতিরোধমূলক সক্ষমতা—উভয়কেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছে তেহরান।
তিনি আরও বলেন, সামরিক শক্তি ও কূটনৈতিক উদ্যোগ একে অপরের পরিপূরক। একটি দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী হলে আন্তর্জাতিক আলোচনায়ও তার অবস্থান আরও দৃঢ় হয়।
লেবাননের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির উদাহরণ টেনে গালিবাফ দাবি করেন, সামরিক চাপ ও রাজনৈতিক আলোচনার সমন্বয়ই অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ফল বয়ে আনে। তবে তার মতে, চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। গালিবাফ বলেন, ইরান সংলাপের পথ পুরোপুরি বন্ধ করেনি, তবে দেশের মৌলিক স্বার্থ ও নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করবে না।
