ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এক ক্যাম্পাস থেকে আরেক ক্যাম্পাসে, যা দেশটির উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে সমাবেশ, অবস্থান কর্মসূচি এবং মিছিল আয়োজন করছেন। তাদের দাবি, গাজায় চলমান পরিস্থিতির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আরও স্পষ্ট অবস্থান নিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ নীতিতেও পরিবর্তন আনতে হবে।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করছেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। এ কারণে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন।
কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা অস্থায়ী তাঁবু স্থাপন করে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। কোথাও কোথাও প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের উত্তেজনাও দেখা দিয়েছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পুলিশি হস্তক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের মতপ্রকাশের অধিকারকে সম্মান জানানো হলেও ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা জরুরি। তাই আইন ও নীতিমালা মেনে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে তরুণদের এই সক্রিয়তা যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততারও প্রতিফলন।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবির বিষয়ে সন্তোষজনক অগ্রগতি না হলে কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করা হতে পারে। ফলে সামনের দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ আরও জোরালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
