![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
রাজধানীর শিশু আছিয়া আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর তা দ্রুত কার্যকর করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আইনমন্ত্রী আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন, আইনি প্রক্রিয়ার সব ধাপ সম্পন্ন করা গেলে আগামী তিন মাসের মধ্যেই রায় কার্যকর করা সম্ভব হতে পারে।
রোববার সচিবালয়ে প্রধান উপদেষ্টির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।আইনমন্ত্রী জানান, দেশে বিচারিক কার্যক্রমের নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকলেও এ মামলায় প্রতিটি ধাপ দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, এমন একটি নৃশংস ও মানবতাবিরোধী ঘটনার বিচার স্বল্প সময়ে সম্পন্ন হওয়া বিচার বিভাগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, উচ্চ আদালতে রায়ের অনুমোদন, আপিল ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই দণ্ড কার্যকর করা সম্ভব হবে। তবে সরকার চাইছে আইনগত সব বিধান অনুসরণ করেই মামলাটির নিষ্পত্তি দ্রুত করা হোক।
এর আগে বুধবার সকালে মামলার প্রধান আসামি মঈনুল ইসলামকে আদালতে হাজির করা হয়। বিচারিক কার্যক্রম শেষে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ মামলার রায় ঘোষণা করেন। তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে অল্প সময়ের মধ্যেই মামলাটির নিষ্পত্তি হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে মাগুরার একটি এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী আছিয়া নিখোঁজ হয়। পরে স্থানীয় একটি বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর নিহত শিশুর মা বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। তদন্ত শেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযোগপত্র জমা দিলে দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। মামলার রায় ঘোষণার পর এখন উচ্চ আদালতের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
